খালিদ হাসান ৫ মে ২০২৬ , ৬:৩১ এএম প্রিন্ট সংস্করণ
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়নের চানপুর গ্রামের কৃতি সন্তান আতিক রহমান আজ স্থানীয় সাংবাদিকতা, সমাজসেবা ও শিক্ষা উন্নয়নের অঙ্গনে এক অনুপ্রেরণার নাম। পারিবারিক মূল্যবোধ, সততা ও নৈতিক শিক্ষার ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে তিনি ছোটবেলা থেকেই নিজেকে গড়ে তুলেছেন একজন সৎ, মানবিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে। শিক্ষাজীবনে মেধার স্বাক্ষর রেখে তিনি বাংলা বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

পেশাগত জীবনের শুরুতে তিনি বগুড়ার সুপরিচিত পত্রিকা দৈনিক আজও আগামীকাল-এ কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে দৈনিক আজকালের খবরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে তিনি সাংবাদিকতায় নিজেকে একজন দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য সংবাদকর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। বর্তমানে তিনি মোহনা টেলিভিশন-এর বগুড়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আতিক রহমানের ব্যক্তিত্বের অন্যতম উজ্জ্বল দিক হলো তাঁর বিনয়, ভদ্রতা ও আন্তরিকতা। মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা তাঁকে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিম সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক তাঁর পেশাগত কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি সমাজসেবায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত “জাগো বগুড়া” সংগঠনের মাধ্যমে তিনি ভিক্ষুক পুনর্বাসন, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সহায়তা এবং বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে তাঁর নেতৃত্ব, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা তাঁকে আলাদা মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।
শিক্ষা উন্নয়নেও আতিক রহমানের রয়েছে উল্লেখযোগ্য অবদান। তিনি স্থানীয় গাংনগর দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া বাঘমারা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতির দায়িত্বও সফলভাবে পালন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বকালীন সময়ে এই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়। তিনি স্থানীয় ও সরকারি পর্যায় থেকে কয়েক কোটি টাকার বরাদ্দ এনে একাডেমিক ভবন নির্মাণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাস্তবায়ন করেন, যা প্রতিষ্ঠান দুটিকে শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন মাত্রা এনে দেয়।
দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সংগঠক হিসেবে তিনি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর ইতিবাচক মনোভাব ও কর্মস্পৃহা আশপাশের মানুষদেরও অনুপ্রাণিত করে।
বর্তমানে তিনি স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম-এর প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মোকামতলা মীর শাহ আলম ও আব্দুল সাত্তার তালুকদার কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবেও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন।
সব মিলিয়ে আতিক রহমান একজন আদর্শবান, পরিশ্রমী, মানবিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব—যিনি সততা, মেধা ও সমাজসেবার মাধ্যমে বগুড়ার শিবগঞ্জে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর এই পথচলা ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে সমাজ ও শিক্ষা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় মহলের।